সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

স্মার্টফোন চার্জ দেওয়ার বিশেষ কিছু নিয়ম

টেকটক ডেস্ক: আজকাল স্মার্টফোন ব্যবহার করেন প্রায় সকলেই। অনেকে আবার একাধিক ফোনও ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেকেরই এই স্মার্ট ফোন নিয়ে রয়েছে অনেক অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি অভিযোগ সম্ভবত ব্যাটারি ও চার্জ নিয়ে। আর আধুনিক স্মার্টফোন মানেই তার ভিতরে থাকবে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। ক্যাডেস্ক নামক ব্যাটারি নির্মাণকারী সংস্থা জানাচ্ছে, এই ধরনের ব্যাটারি-সম্পন্ন মোবাইলে চার্জ দেওয়ার সময় বিশেষ কিছু নিয়ম পালন করলে ব্যাটারি, এবং সামগ্রিকভাবে মোবাইল ভাল থাকে। কী সেইসব নিয়ম? আসুন, জেনে নেওয়া যাক

১. ব্যাটারি ১০০ শতাংশ চার্জ হয়ে যাওয়ার পরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিন:অনেকেরই অভ্যাস থাকে রাত্রিবেলা শুতে যাওয়ার আগে ফোনটিকে চার্জে বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়া। সারা রাত ফোন চার্জ হওয়ার পরে সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার পর তাঁরা ফোনটিকে বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করেন। বলা হচ্ছে, এটা ব্যাটারির পক্ষে ক্ষতিকর। কারণ ১০০ শতাংশ চার্জ হয়ে যাওয়ার পরেও যদি ফোনটিকে চার্জে রেখে দেওয়া হয় তাহলে ব্যাটারির উপরে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। কাজেই পুরো চার্জ হয়ে যাওয়ার পরে ফোন আর চার্জে না রাখাই ভাল।
২. ১০০ শতাংশ চার্জ না দেওয়ার চেষ্টা করুন:ক্যাডেক্স-এর তরফে বলা হচ্ছে, এমনকী মোবাইলে ১০০ শতাংশ চার্জ না দেওয়াই ভাল। কারণ ১০০ শতাংশ চার্জ দেওয়ার জন্য যে হাই ভোল্টেজের প্রয়োজন হয়, তাতে ক্ষতি হয় ব্যাটারির। কাজেই ১০০ শতাংশ চার্জ হওয়ার একটু আগেই চার্জিং বন্ধ করে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
৩. দিনে অনেকবার করে ফোন চার্জ দিন:ক্যাডেস্ক-এর ‘ব্যাটারি ইউনিভার্সিটি’ জানাচ্ছে, ১০ শতাংশ করে চার্জ কমে যাওয়ার পরেই চার্জ দেওয়া ব্যাটারির পক্ষে সবচেয়ে ভাল। কিন্তু তেমনটা করা বাস্তবে সম্ভব নয়। কাজেই যখনই সুযোগ হবে, চার্জ দিন ফোনে। এতে ব্যাটারির আয়ু বৃদ্ধি পায়, পাশাপাশি তার পারফর্ম্যান্সও ভাল হয়।
৪. চার্জিং-এর সময়ে ফোনকে ঠান্ডা রাখুন:চার্জ হতে হতে আপনার মোবাইল কী তেতে ওঠে? এটা ব্যাটারির পক্ষে ক্ষতিকর। কাজেই চার্জ দেওয়ার সময়ে মোবাইলকে যতটা সম্ভব ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন। মোবাইলের কভারটা খুলে নিন, রোদ থেকে দূরে রাখুন মোবাইলকে। মোবাইল যদি খুব তেতে ওঠে, তাহলে মাঝে মাঝে চার্জ বন্ধ রেখে ফোনটি ঠান্ডা হওয়ার পরে আবার চার্জে বসান।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কমন সেন্স সম্পর্কে জানতে নিচের প্রশ্ন গুলো উওর দিন

১) যদি উত্তর দিক থেকে বাতাস বইতে থাকে তাহলে গাছের চীনাবাদাম কোন দিকে পড়বে? ক) দক্ষিণ দিকে খ) মাটিতে গ) উত্তর দিকে ঘ) চীনাবাদাম গাছে ধরে না ২) গড়ে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের কয়টি জন্মদিন থাকে? ক) ৫৬ টি খ) ১ টি গ) ৮৪ টি ৩) কয়টি মাসে ২৮ দিন থাকে? ক) ১ টি খ) ৫ টি গ) ১২ টি ৪) একজন ব্যক্তি যদি ইন্ডিয়ায় থাকেন তাকে কি বাংলাদেশে কবর দেয়া যাবে? ক) না খ) হ্যাঁ ৫) যদি ‘রেড হাউজ’ লাল রঙের ইট দিয়ে তৈরি, ‘ব্লু হাউজ’ নীল রঙের ইট দিয়ে তৈরি হয় তাহলে গ্রীন হাউজ কি দিয়ে তৈরি? ক) সবুজ রঙের ইট দিয়ে খ) কাঁচ দিয়ে গ) কাঠ দিয়ে তৈরি ৬) এক গাঁয়ে একতলা বাড়িতে এক মহিলা বাস করেন। তার গোলাপি রঙ খুব পছন্দ। তার সবকিছুতেই গোলাপি, তার সব পোশাক গোলাপি, তার ঘরের সব কিছুর রঙ গোলাপি এমনকি তার পোষা বিড়ালের লোমও গোলাপি। তাহলে তার সিঁড়ির রঙ কি? ক) গোলাপি খ) সাদা গ) তার বাড়িতে সিঁড়ি নেই ৭) অন্ধকার এভারগ্রীন গাছের বন, যেখানে আলো ঢোকে না একেবারেই। এমন একটি বনে খুব জোরে বাতাস বইছে তাহলে গাছের পাতা কোথায় পড়বে? ক) উড়ে চলে যাবে খ) মাটিতে পড়বে গ) এভারগ্রীন গাছে পাতা নেই সঠিক উত্তর: ১) ঘ) চীনাবা...

আপনি জানেন কি

বিভিন্ন চাকুরির পরীক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক হচ্ছে বিভিন্নদেশে পার্লামেন্টের নাম। এই টপিক থেকে বিসিএস থেকে শুরু করে ব্যাংক, প্রাইমারি স্কুল টিচার, সহকারি জন, এটিও ইত্যাদি পরিক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন এসে থাকে। তাহলে আর দেরি না করে আজই এগুলো শিখে ফেলুন। 1. চীনের আইন সভার নাম – কংগ্রেস। 2. ইসরাইলের আইন সভার নাম – নেসেট। 3. জাপানের আইন সভার নাস – ডায়েট। 4. বাংলাদেশের আইন নাম- জাতীয় সংসদ। 5. সুইডেনের আইন সভারনাম – রিক্সড্যাগ। 6. মঙ্গোলিয়ার আইন সভার নাম – থুরাল। 7. আফগানিস্তানের আইন সভার নাম – শূরা। 8. ডেনমার্কের আইন সভার নাম – ফোকেট। 9. ভারতের আইনি সভার নাম – লোকসভা বা রাজ্যসভা। 10. তাই্ওয়ানের আইন সভার নাম – উয়ান। 11. যুক্তরাজ্যের আইন সভার নাম – পার্লামেন্ট। 12. নেপালের আইন সভঅর না্স – কংগ্রেস বা পঞ্চায়েত। 13. মালয়েশিয়ার আইন সভার নাম – মজলিস। 14. রাশিয়ার আইন সভার নাম – সুপ্রিম সোভিয়েত অ্যাসেম্বলি। 15. স্পেনের আইন সভার নাম – ক্রেটস। 16. তুরস্কের আইন সভারনাম – গ্রান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি। 17. ইরানের আইন সভঅর নাস – মজলিস। 18. আয়ারল্যান্ডের আইন সভার নাম – ডেল আয়ারম্যূা...

গুরুত্বপূর্ন বিভিন্ন দিবস সমুহ

১০ জানুয়ারি → বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ১৯ জানুয়ারি → জাতীয় শিক্ষক দিবস। ২০ জানুয়ারি → শহীদ আসাদ দিবস। ১৪ ফেব্রুয়ারি → সুন্দরবন দিবস। ২১ ফেব্রুয়ারি→ শহীদ দিবস। ২৮ ফেব্রুয়ারি → জাতীয় ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস। ২ মার্চ → জাতীয় পতাকা দিবস। ৮ মার্চ → বিশ্ব নারী দিবস। ১৭ মার্চ → শিশু দিবস। ২১ মার্চ → বিশ্ব বৈষম্য দিবস। ২২ মার্চ → বিশ্ব পানি দিবস। ২৩ মার্চ → বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। ২৪ মার্চ → বিশ্ব যক্ষা দিবস। ২৬ মার্চ → স্বাধীনতা দিবস। ৩১ মার্চ → জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস। ২ এপ্রিল → জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস। ৭ এপ্রিল → বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। ১৭ এপ্রিল → মুজিবনগর দিবস। ২৩ এপ্রিল → বিশ্ব গ্রন্থ ও গ্রন্থস্বত্ব দিবস। ২৬ এপ্রিল → বিশ্ব মেধা সম্পদ দিবস। ১ মে → মহান মে দিবস। ৩ মে → বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস। ৪ মে → আন্তর্জাতিক শিশু দিবস। ১৩ মে → বিশ্ব মা দিবস। ১৫ মে → বিশ্ব পরিবার দিবস। ১৬ মে → ফারাক্কা দিবস। ১৭ মে → বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস। ২২ মে → বিশ্ব জীববৈচিত্র দিবস। ২৫ মে → কাজী নজরুল ইসলাম-এর জন্মবার্ষিকী। ২৮ মে ...